হাদিস নম্বরঃ ৪১৮৬ | 4186 | ٤۱۸٦
পরিচ্ছদঃ ২৩০৪. আল্লাহর বাণীঃ যদি তোমরা না ছাড় তবে জেনে রাখ যে, এটা আল্লাহ ও তার রাসুলের সাথে যুদ্ধ। (২ঃ ২৭৯) [ইমাম বুঝারী (রহঃ) বলেন] فَأْذَنُوا অর্থ জেনে রাখ
৪১৮৬। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে গিয়ে তা পাঠ করে আমাদের শোনান এবং মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪১৮৭ | 4187 | ٤۱۸۷
পরিচ্ছদঃ ২৩০৫. আল্লাহর বাণীঃ যদি খাতক অভবগ্রস্থ হয়, তবে সচ্ছলতা পর্যন্ত তাকে অবকাশ দেয়া বিধেয়। আর যদি তোমরা ছেড়ে দাও তবে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে (২ঃ ২৮০)
৪১৮৭। মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূরা বাকারার শেষ দিকের আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং আমাদের সম্মুখে তা পাঠ করলেন। তারপর মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪১৮৮ | 4188 | ٤۱۸۸
পরিচ্ছদঃ ২৩০৬. আল্লাহর বাণীঃ তোমরা সেদিনকে ভয় কর, যেদিন তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে (সূরাহ আল-বাক্বারা ২ঃ ২৮১)
৪১৮৮। কাবীসা ইবনু উকবা (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর অবতারিত শেষ আয়াতটি হচ্ছে সুদ সম্পর্কিত।
হাদিস নম্বরঃ ৪১৮৯ | 4189 | ٤۱۸۹
পরিচ্ছদঃ ২৩০৭. আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের মনে যা আছে তা তোমরা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ আল্লাহ তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব নেবেন। এরপর যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেবেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান (২ঃ ২৮৪)
৪১৮৯। মুহাম্মদ (রহঃ) … মারওয়ান আল আসফার (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন একজন সাহাবীদরে থেকে বর্ণনা করেন, আর তিনি হচ্ছেন ইবন উমর (রাঃ) যে وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ আয়াতটি রহিত হয়ে গেছে।
হাদিস নম্বরঃ ৪১৯০ | 4190 | ٤۱۹۰
পরিচ্ছদঃ ২৩০৮. আল্লাহর বাণীঃ রাসুল তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতারিত বিষয়ের প্রতি ঈমান এনেছেন এবং মু’মিনগনও (২ঃ ২৮৫) ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, غفرانك অর্থ مغفرتك আর مغفرتك অর্থ فاغفر لنا আমাদের মার্জনা করুন (২ঃ ২৮৫)
৪১৯০। ইসহাক (রহঃ) … মারওয়ানুল আসফার (রাঃ) একজন সাহাবী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন আর তিনি ধারণা করেন যে, তিনি ইবনু উমর (রাঃ) হবেন। إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ আয়াতটি রহিত হয়ে গিয়েছে।
হাদিস নম্বরঃ ৪১৯১ | 4191 | ٤۱۹۱
পরিচ্ছদঃ ২৩০৯. আল্লাহর বাণীঃ مِنْهُ ا”يَاتٌ مُحْكَمَاتٌ যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট দ্ব্যর্থহীন। ইমাম মুজাহিদ (রহ.) বলেন যে, সেটি হচ্ছে হালাল আর হারাম সম্পর্কিত। وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ আর অন্যগুলো রূপক, একটি অন্যটির সত্যতা প্রমাণ করে। যেমনঃ আল্লাহর বাণীঃ وَمَا يُضِلُّ بِهٰٓ إِلَّا الْفَاسِقِيْنَ -‘‘তিনি পথ পরিত্যাগকারী ব্যতীত বস্তুত কাউকে বিভ্রান্ত করেন না।’’ আবার- وَيَجْعَلُ الرِّجْسَ عَلَى الَّذِيْنَ لَا يَعْقِلُوْنَ যারা অনুধাবন করে না আল্লাহ তাদের কলুষলিপ্ত করেন। (সূরাহ ইউনুস ১০/১০০) তদুপরি আল্লাহর বাণীঃ وَالَّذِيْنَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدًى وَّاٰتَاهُمْ تَقْوٰهُمْ ‘‘যারা সৎপথ অবলম্বন করেছে, আল্লাহ্ তাদেরকে আরও অধিক হিদায়াত দান করেন এবং তাদেরকে তাকওয়ার তাওফীক দেন’’- (সূরাহ মুহাম্মাদ ৪৭/১৭)। زَيْغٌ -সন্দেহ, ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ -ফিতনা শব্দের অর্থ রূপক। والراسخون في العلم যাঁরা জ্ঞানে সু-গভীর তারা জানে এবং বলে আমরা তা বিশ্বাস করি।
সুরা আলে ইমরান
تُقَاةٌ وَتَقِيَّةٌ একই অর্থে ব্যবহৃত অর্থাৎ ভীতি ও সংযম, صِرٌّ ঠান্ডা। شَفَا حُفْرَةٍ কথাটি شَفَا الرَّكِيَّةِ এর মত অর্থাৎ গর্তের তীর ও কিনারা। تُبَوِّئُ অস্ত্রে সজ্জিত সৈনিককে সারিবদ্ধ করছিল। الْمُسَوَّم কোন প্রতীক কিংবা অন্য কিছু দ্বারা চিহ্নিত করা। رِبِّيُّوْنَ বহুবচন। একবচনে رِبِّيٌّ আল্লাহ তা‘আলা ও আল্লাহ্পন্থী। تَحُسُّوْنَهُمْ তোমরা তাদের হত্যার দ্বারা সমূলে উৎপাটিত করছিলে। غُزًّا বহুবচন। একবচনে غَازٍ যোদ্ধা। سَنَكْتُبُ অচিরে আমি সংরক্ষণ করব। نُزُلًا প্রতিদান ও আতিথেয়তা হিসাবে। مُنْزَلٌ مِنْ عِنْدِ اللهِ পড়াও বৈধ। মুফাস্সির ইমাম মুজাহিদ (রহ.)-এর মতে الْخَيْلُ الْمُسَوَّمَةُ পরিপূর্ণ সুন্দর অশ্বপাল, ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, حَصُوْرًا কামভাব নিয়ে কোন মহিলার কাছে যায় না। ‘ইকরামাহ (রাঃ) বলেন, فَوْرِهِمْ বাদরের দিনে তাদের ক্রোধ নিয়ে, মুজাহিদ (রহ.) বলেন, يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ নিষ্প্রাণ বীর্য নির্গত হয় এরপর তা থেকে জীবিত বের হয়। الإِبْكَارُ ঊষালগ্ন। وَالْعَشِيُّ সূর্য ঢলে যাওয়া থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৪১৯১। আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়াতটি
هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ} إِلَى قَوْلِهِ {أُولُو الأَلْبَابِ
