আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ বলেন, আবূ উসামা আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মানুষের আচরণ সম্পর্কে ক্ষমাপরায়ণতা অবলম্বন করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪২৮৯ | 4289 | ٤۲۸۹
পরিচ্ছদঃ আল্লাহর বাণীঃ লোকে তোমাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্বন্ধে প্রশ্ন করে, বল, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আল্লাহ এবং রাসুলের, সুতরাং আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজদিগের মধ্যে সদভাব স্থাপন কর (৮ঃ ১) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, الْأَنْفَالُ যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, কাতাদাহ বলেন, رِيْحُكُمْ যুদ্ধ, نَافِلَةٌ দান।
৪২৮৯। মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহীম (রহঃ) … সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম সূরা আনফাল সম্পর্কে, তিনি বললেন, বদরের যুদ্ধে নাযিল হয়েছে।
الشَّوْكَةُ-الْحَدُّ শক্তি, مُرْدَفِيْنَ একদল সৈন্যের পর আরেক দল, رَدِفَنِيْ এবং أَرْدَفَنِيْ আমার পেছন পেছন এসেছে, ذُوْقُوْا সরাসরি জড়িয়ে পড় এবং অভিজ্ঞতা অর্জন কর, মুখে আস্বাদন করা হয়, فَيَرْكُمَهُ এরপর তাকে একত্রিত করবেন,شَرِّدْ বিচ্ছিন্ন করে দাও, وَإِنْ جَنَحُوْا যদি তারা চায়, السِّلْمُ، السِّلْمُ এবং السَّلَامُ একই অর্থ সন্ধি, يُثْخِنَ জয়ী হওয়া, মুফাসসির মুজাহিদ বলেন, مُكَاءً তাদের অঙ্গুলিসমূহ মুখে ঢুকিয়ে দেয়া, শিস দেয়া, تَصْدِيَةً করতালি, لِيُثْبِتُوْكَ তোমাকে আটকে রাখার জন্যে।
হাদিস নম্বরঃ ৪২৯০ | 4290 | ٤۲۹۰
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৪. আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম জীব সেই বধির ও মূক যারা কিছুই বুঝে না (৮ঃ ২২) قال هم نفر من بني عبد الدار ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন তারা বনী আবদুদ দার গোষ্ঠীর একদল লোক।
৪২৯০। মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, إِنَّ شَرَّ الدَّوَابِّ عِنْدَ اللَّهِ الصُّمُّ الْبُكْمُ الَّذِينَ لاَ يَعْقِلُونَ সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, তারা হচ্ছে বনী আবদুদদার গোষ্ঠীর একদল লোক।
হাদিস নম্বরঃ ৪২৯১ | 4291 | ٤۲۹۱
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৫. আল্লাহর বাণীঃ হে মুমিনগণ! রাসুল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহবান করেন যা তোমাদেরকে প্রানবন্ত করে, তখন আল্লাহ ও রাসুলের আহবানে সাড়া দেবে এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ মানুষ ও তার অন্তরের অন্তরালে থাকেন এবং তারই কাছে তোমাদের একত্র করা হবে (৮ঃ ২৪) اسْتَجِيْبُوْا তোমরা সাড়া দাও, لِمَا يُحْيِيْكُمْ তোমাদেরকে সংশোধন করার জন্যে।
৪২৯১। ইসহাক (রহঃ) … আবূ সাঈদ ইবনু মুয়াল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদা নামাযে ছিলাম, এমতাবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পাশ দিয়ে গেলেন এবং আমাকে ডাকলেন, সালাত (নামায/নামাজ) শেষ না করা পর্যন্ত আমি তাঁর কাছে যাইনি, তারপর গেলাম, তিনি বললেন, তোমাকে আসতে বাধা দিল কিসে? আল্লাহ কি বলেননি, ‘‘রাসূল তোমাদেরকে ডাক দিলে, আল্লাহ ও রাসূলের ডাকে সাড়া দেবে?’’ তারপর তিনি বললেন, আমি মসজিদ থেকে বের হবার পূর্বে তোমাকে একটি বড় সওয়াবযুক্ত সূরা শিক্ষা দেব। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন আমি তাঁর নিকট প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম।
মু‘আয বলেন হাফস শুনেছেন, একজন সাহাবী আবূ সাঈদ ইবনুল মু‘আল্লাকে এ হাদীস বর্ণনা করতে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন সেই সূরাটি হচ্ছে الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ সাত আয়াত বিশিষ্ট ও পুনঃ পুনঃ উল্লেখ্য আবৃত।
হাদিস নম্বরঃ ৪২৯২ | 4292 | ٤۲۹۲
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৬. আল্লাহর বাণীঃ স্মরণ কর, তারা বলেছিল, হে আল্লাহ! এটা যদি তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয়, তবে আমাদের উপর আকাশ হতে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দাও (৮ঃ ৩২)
৪২৯২। আহমদ (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আবূ জাহেল বলেছিল, ‘‘হে আল্লাহ! এটা যদি তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয়, তবে আমাদের উপর আকাশ হতে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দাও। তখনই নাযিল হল- وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ * وَمَا لَهُمْ أَنْ لاَ يُعَذِّبَهُمُ اللَّهُ وَهُمْ يَصُدُّونَ عَنِ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ} الآيَةَ আল্লাহ এমন নহেন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন এবং আল্লাহ এমনও নহেন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন, এবং তাদের কি-বা বলবার আছে যে, আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেবেন না যখন তারা লোকদের মসজিদুল হারাম থেকে নিবৃত করে? (যদিও তারা এর তত্ত্বাবধায়ক নয়, মুত্তাকীগণই এর তত্ত্বাবধায়ক; কিন্তু তাদের অধিকাংশ তা অবগত নয়) (৮: ৩৩-৩৪)
হাদিস নম্বরঃ ৪২৯৩ | 4293 | ٤۲۹۳
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৭. আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ এমন নহেন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন এবং আল্লাহ এমনও নহেন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন (৮ঃ ৩৩)
৪২৯৩। মুহাম্মদ ইবনু নযর (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, আবূ জাহেল বলেছিল। এরপর নাযিল হল-
