৫৫৮৮। কেয়ামত দিবসকে অবিশ্বাসের দরুণই তারা তা উপহাসের পাত্র বলে বিবেচনা করতো। অবশ্যই তারা কেয়ামতের শাস্তিকে প্রত্যক্ষ করতে চেয়েছিলো। এখন তা নিকটবর্তী এবং অনুতাপের মাধ্যমে আত্মসংশোধনের পথ রুদ্ধ।
আয়াতঃ 067.028
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?
Say (O Muhammad SAW): ”Tell me! If Allâh destroys me, and those with me, or He bestows His Mercy on us, – who can save the disbelievers from a painful torment?”
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِيَ اللَّهُ وَمَن مَّعِيَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ الْكَافِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ
Qul araaytum in ahlakaniya Allahu waman maAAiya aw rahimana faman yujeeru alkafireena min AAathabin aleemin
YUSUFALI: Say: “See ye?- If Allah were to destroy me, and those with me, or if He bestows His Mercy on us,- yet who can deliver the Unbelievers from a grievous Penalty?”
PICKTHAL: Say (O Muhammad): Have ye thought: Whether Allah causeth me (Muhammad) and those with me to perish or hath mercy on us, still, who will protect the disbelievers from a painful doom?
SHAKIR: Say: Have you considered if Allah should destroy me and those with me– rather He will have mercy on us; yet who will protect the unbelievers from a painful punishment?
KHALIFA: Say, “Whether GOD decides to annihilate me and those with me, or to shower us with His mercy, who is there to protect the disbelievers from a painful retribution?”
২৮। বল, ” তোমরা কি চিন্তা করেছ ? যদি আল্লাহ্ আমাকে ও আমার সাক্ষীদের ধ্বংস করতে চান ৫৫৮৯ অথবা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন, [অবশ্যই তা করতে পারেন ], তবে অবিশ্বাসীদের কে ভয়াবহ শাস্তি থেকে উদ্ধার করবে” ?
৫৫৮৯। যারা অবিশ্বাসী ও সন্দেহবাতিক তাদের বক্তব্য দুনিয়াতে এরূপ হবে, ” যদি সেরূপ বিপর্যয় আসে তবে ভালো ও মন্দ সকলেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তোমরা যেরূপ বল যে, আল্লাহ্ তাঁর করুণা ধারা পাপী পূণ্যাত্মা সকলের জন্য সমভাবে বর্ষণ করে থাকেন।” এর উত্তর এই আয়াতে দেয়া হয়েছে, ” আমাদের [ পূণ্যাত্মাদের ] জন্য চিন্তা করো না। যদি আমরা আমাদের সকল পূণ্যবান সঙ্গী সাথীসহ ধ্বংস হয়ে যাই, তাতে তোমাদের তো কোনও উপকারে আসবে না। তাতে তোমাদের কি সান্তনা ? তোমাদের পাপের দরুণ তোমরা নিদারুণ কষ্টে পতিত হবে, কিন্তু আমরা যদি কষ্টে পতিত হই তবে আমরা মনে করি তা আমাদের আত্মিক বিশুদ্ধতার জন্য, আমাদের কল্যাণের জন্য আল্লাহ্র দান ক্ষমা লাভ করবো। কারণ আমরা জানি আল্লাহ্ করুণাময়, আমরা তারই করুণার উপরে বিশ্বাসী। কাফেরদের অন্তরে এরূপ বিশ্বাসের কোনও স্থান নাই। দেখুন পরের আয়াত।
আয়াতঃ 067.029
বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে।
Say: ”He is the Most Beneficent (Allâh), in Him we believe, and in Him we put our trust. So you will come to know who is it that is in manifest error.”
قُلْ هُوَ الرَّحْمَنُ آمَنَّا بِهِ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
Qul huwa alrrahmanu amanna bihi waAAalayhi tawakkalna fasataAAlamoona man huwa fee dalalin mubeenin
YUSUFALI: Say: “He is (Allah) Most Gracious: We have believed in Him, and on Him have we put our trust: So, soon will ye know which (of us) it is that is in manifest error.”
PICKTHAL: Say: He is the Beneficent. In Him we believe and in Him we put our trust. And ye will soon know who it is that is in error manifest.
SHAKIR: Say: He is the Beneficent Allah, we believe in Him and on Him do we rely, so you shall come to know who it is that is in clear error.
KHALIFA: Say, “He is the Most Gracious; we believe in Him, and we trust in Him. You will surely find out who is really far astray.”
২৯। বল; ” তিনিই পরম করুণাময় আল্লাহ্। আমরা তাঁকে বিশ্বাস করি; ও তারই উপরে নির্ভর করি। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে [ আমাদের মধ্যে ] কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে “। ৫৫৯০
৫৫৯০। দেখুন উপরের টিকা। আমরা মুসলমান হিসেবে বিশ্বাস করি আল্লাহ্ আমাদের মালিক। তিনি আমাদের সকল বিপদ বিপর্যয়ের থেকে রক্ষা করবেন – যদি আমরা সৎ পথে জীবনধারণ করি এবং অতীতের পাপের জন্য অনুতাপের মাধ্যমে আত্মসংশোধন করি। আল্লাহ্র উপরে এই নির্ভরশীলতা আত্মার মাঝে শান্তি আনে। দুঃখভরা পৃথিবীতে বাস করেও দুঃখ থেকে নিষ্কৃতি লাভ করা যায়। কিন্তু অবিশ্বাসী কাফেরদের দুঃখ থেকে নিষ্কৃতি লাভের এরূপ কোনও স্থান নাই। হতভাগ্য তারা। পরলোকে যখন তারা প্রকৃত সত্যের মুখোমুখি হবে, তখন তারা বুঝতে সক্ষম হবে বিশ্বাসী না অবিশ্বাসীরা কারা সঠিক পথে ছিলো। “কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।”