রুকু – ৩১
২৩৬। তোমাদের স্ত্রীদের স্পর্শ করার পূর্বে অথবা তাদের মোহর ধার্য করার পূর্বে তালাক দিলে কোন পাপ নাই। সম্পদশালী ব্যক্তি তাদের সামর্থ অনুযায়ী এবং অস্বচ্ছল ব্যক্তি তাদের সামর্থ অনুযায়ী ন্যায়সঙ্গত ভাবে তাদের [উপযুক্ত] উপহার দান করবে। ন্যায়বান লোকদের এটাই কর্তব্য।
২৩৭। যদি তোমরা [স্ত্রীদের] স্পর্শ করা পূর্বে তালাক দাও অথচ মোহর ধার্য করা হয়েছে [সেক্ষেত্রে স্ত্রীরা] অর্ধেক মোহর পাবে যদি সে তা মাফ করে না দেয় অথবা সে [স্বামী], যার হাতে বিবাহ বন্ধন রয়েছে ২৬৯, [স্বামীর অর্ধেক প্রাপ্য] মাফ করে দিলে [সেক্ষেত্রে স্বামী] স্ত্রীকে পূর্ণ মোহর দেবে ২৭০। [স্বামীর প্রাপ্য অর্ধেক] মাফ করে দেওয়াই হচ্ছে পুণ্যাত্মার নিকটবর্তী কাজ। এবং নিজেদের মধ্যে বদান্যতার কথা ভুলে যেও না। নিশ্চয়ই তোমরা যা কর আল্লাহ্ তা সব দেখেন।
২৬৯। স্ত্রী গমণের পূর্বে যদি তালাক অনুষ্ঠিত হয়, এর দুটি দিক আছে। যে বিয়ের মোহর নির্ধারিত করা হয় নাই কিংবা মোহর নির্ধারিত হয়ে থাকবে। প্রথম অবস্থায় তোমার উপর মোহরের দায়িত্ব আছে বলে মনে করো না। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তির সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীকে উপঢৌকন দেওয়া উচিত।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোহরের অর্ধেক শোধ করতে হবে। কিন্তু স্ত্রী ইচ্ছা করলে তার অংশ মাফ করে দিতে পারে অথবা স্বামী তার প্রাপ্য অংশ মাফ করে দিতে পারে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে স্ত্রী পূর্ণ মোহর পাবে। যদি সে বদান্যতার প্রেক্ষিতে অর্ধেক না নেয়, তবে তাও ক্ষমার পর্যায়ে পড়ে এবং ক্ষমা করাকে উত্তম ও তাকওয়ার পক্ষে অনুকূলে বলা হয়েছে।
২৭০। এই অবস্থায় নির্ধারিত মোহরের অর্ধেক দেওয়াই বিধেয়। ‘যাহার হাতে বিবাহ বন্ধন রয়েছে’-কথাটির অর্থ স্বামীর হাতে [হানাফী মত অনুসারে] বিবাহ বন্ধন ন্যস্ত। কারণ তালাক দেওয়ার ক্ষমতাও তার হাতে। সুতরাং মোহরের অর্ধেক যেটা তার প্রাপ্য সেটাও ইচ্ছা করলে সে মাফ করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে স্ত্রী পূর্ণ মোহর পাবে।
আয়াতঃ 002.238
সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।
Guard strictly (five obligatory) AsSalawât (the prayers) especially the middle Salât (i.e. the best prayer ’Asr). And stand before Allâh with obedience [and do not speak to others during the Salât (prayers)].
حَافِظُواْ عَلَى الصَّلَوَاتِ والصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَقُومُواْ لِلّهِ قَانِتِينَ
Hafithoo AAala alssalawati waalssalati alwusta waqoomoo lillahi qaniteena
YUSUFALI: Guard strictly your (habit of) prayers, especially the Middle Prayer; and stand before Allah in a devout (frame of mind).
PICKTHAL: Be guardians of your prayers, and of the midmost prayer, and stand up with devotion to Allah.
SHAKIR: Attend constantly to prayers and to the middle prayer and stand up truly obedient to Allah.
KHALIFA: You shall consistently observe the Contact Prayers, especially the middle prayer, and devote yourselves totally to GOD.
২৩৮। সালাতের [অভ্যাসকে] কঠোরভাবে রক্ষা করবে ২৭১, বিশেষভাবে মধ্যবর্তী সালাতের এবং [অন্তরে] ভক্তি সহকারে আল্লাহ্র সামনে দাঁড়াবে।
২৭১। আগে ও পরে সালাত সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে নামাজের হুকুম বর্ণনা করার ইঙ্গিত করে যে, আল্লাহ্র আনুগত্যই হচ্ছে প্রকৃত উদ্দেশ্য। সামাজিকতা ও বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের দ্বারা অন্যান্য কল্যাণ লাভ ছাড়াও সেই লক্ষ্যের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন একটা স্বতন্ত্র উদ্দেশ্য। এখানে সর্ব প্রকার সালাতের বিশেষত আসরের সালাতের প্রতি যত্নবান হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।
আয়াতঃ 002.239
অতঃপর যদি তোমাদের কারো ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই পড়ে নাও অথবা সওয়ারীর উপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
And if you fear (an enemy), perfrom Salât (pray) on foot or riding. And when you are in safety, offer the Salât (prayer) in the manner He has taught you, which you knew not (before).
فَإنْ خِفْتُمْ فَرِجَالاً أَوْ رُكْبَانًا فَإِذَا أَمِنتُمْ فَاذْكُرُواْ اللّهَ كَمَا عَلَّمَكُم مَّا لَمْ تَكُونُواْ تَعْلَمُونَ
Fa-in khiftum farijalan aw rukbanan fa-itha amintum faothkuroo Allaha kama AAallamakum ma lam takoonoo taAAlamoona
YUSUFALI: If ye fear (an enemy), pray on foot, or riding, (as may be most convenient), but when ye are in security, celebrate Allah’s praises in the manner He has taught you, which ye knew not (before).
PICKTHAL: And if ye go in fear, then (pray) standing or on horseback. And when ye are again in safety, remember Allah, as He hath taught you that which (heretofore) ye knew not.
SHAKIR: But if you are in danger, then (say your prayers) on foot or on horseback; and when you are secure, then remember Allah, as. He has taught you what you did not know.
KHALIFA: Under unusual circumstances, you may pray while walking or riding. Once you are safe, you shall commemorate GOD as He taught you what you never knew.
